জানুয়ারি ২৩, ২০২২ ৩:১৫ পূর্বাহ্ণ

সিরাজগঞ্জে ১০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন বাঁধের ৪৫ মিটার ধ্বস

সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে ১০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মানাধীন বাধেঁর খগেনের ঘাট নামক অংশে আকস্মিকভাবে ধ্বস নেমেছে। এ ধসে প্রায় ৪৫ মিটার বাধঁ ধসে গেছে। ধসের কারনে যমুনা নদীর তীরবর্তী মানুষের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে ধস ঠেকাতে স্থানীয় পানি উন্নয়ন র্বোড বালি ভর্তি জিও টেক্স বস্তা ফেলে  নিয়ন্ত্রনের করছে। টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড ও  এলাকাবাসী জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে নির্মাণাধীন বাধের খগেনঘাট নামকস্থানে এ ধ্বস দেখা দেয়। সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর ভাঙ্গনে বিপর্যস্ত চৌহালী উপজেলার পশ্চিম পাড়ের বাকি অংশ এবং টাঙ্গাইল জেলা রক্ষায় ১০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ তীর সংরক্ষন বাধ গত ২০১৫ সালের ২৪ নভেম্বর শুরু হয়। প্রাথমিক ভাবে মাটি ফেলে জিও টেক্স দিয়ে এখানে তৈরী করা হয়েছে বাধের অস্থায়ী অংশ।
যার উপর পাথরের ড্রেসিং কাজ চলমান রয়েছে। হঠাৎ করে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে থেকে ওই বাধের খগেনের ঘাট অংশে ধসে যায়।যমুনায় বিলীন হয়ে যায় পাথরের বোল্ড, মাটি রক্ষাকারী জিও টেক্স। স্থানীয়রা বলছেন,উল্লেখিত টাকা ব্যায়ে বাধের কাজ সম্পর্ন না হওয়ায়  আগেই এমন ভাঙ্গনের সংলগ্ন এলাকা থেকে প্রভাবশালীরা অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করার কারনে এই পরিস্থিতি সৃষ্ঠি হয়েছে। এ বিষয়ে এলাকার অনেকেই বলছেন, চৌহালীর যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গন থেকাতে নদী পাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবী ছিল। বর্তমান সরকার সেই দাবী পূরণ করেছে এবং ওই বাঁধ নির্মানের কাজও শেষের পথে।
এদিকে, এ বাধ  নির্মান হলেও যমুনায়  স্রোত ছাড়াই বিলীন হচ্ছে। এখনি নির্মাণাধীন বাধে ধ্বস নামলে বন্যা মৌসুমে বাধেরই উপায় কি হবে । এ বিষয়ে  চৌহালীর নির্মাণাধীন ওই বাধ নিয়ন্ত্রনকারী টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহজাহান সিরাজ বলেন, বাধের ধসে যাওয়া অংশের তলাদেশে প্রায় ২০ মিটার গর্তের সৃষ্টি হওয়ায়  এই ধসের মুল কারন।দুই দিনের সার্ভে বাধ সংলগ্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি গর্ত ধরে পড়েছে। ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেয়া হচ্ছে। তবে আতংক হবার কিছু নাই বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply