মে ২৬, ২০২২ ৯:৩৫ অপরাহ্ণ

নগরবাসীকে প্রতিপক্ষ না ভেবে সর্বদলীয় মিটিং ডেকে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করুন- মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী

সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ ২১ শে অক্টোবর সকাল ১১.০০ ঘটিকায় সাবেক মেয়র রাজনীতিবিদ মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর বাসভবনে চট্টগ্রাম গণ অধিকার ফোরামের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা সংগঠনের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্র নেতা এম এ হাশেম রাজুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাবেক মেয়র রাজনীতিবিদ মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন ৬০ লক্ষ নগর বাসীকে প্রতিপক্ষ না ভেবে সর্বদলীয় মিটিং ডেকে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করুন। তিনি আরো বলেন আমি মেয়র থাকা অবস্থায় নগরীর গরীব মানুষের ঘরবাড়ীকে কর-এর আওতামুক্ত রেখেছিলাম। আমার আমলে নগরীর কোন এলাকা জলাবদ্ধতায় ছিল না। শহরের প্রতিটি রাস্তা ঘাট চলাচলের উপযোগী ছিল। নগরীর ৩৬ টি ছোট বড় খাল আজ প্রভাবশালীদের দখলে। ফলে একটু বৃষ্টি ও জোয়ার আসলেই নগর বাসীর ব্যবসা-বানিজ্য, ঘর-বাড়ী, মসজিদ-মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় পড়–য়া ছেলে মেয়েদের লেখা পড়া এবং জনগনের চলাফেরায় চরমভাবে বিঘ্ন ঘটে। ব্যবাসায়ীদের শত শত কোটি টাকা লোকসান গুনতে হয়। প্রাচ্যের রাণী হিসেবে খ্যাত নগর বাসীর এই বেহাল অবস্থা দেখভাল করার কোন অভিবাবক নেই। আজ চট্টগ্রম শহরের জন্য একজন সৎ, দক্ষ,পরিচ্ছন্ন ও মেধাবী রাজনীতিবিদের বড়ই প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন রাজস্ব আয়ের সিংহভাগ এই চট্টগ্রাম থেকেই রাষ্ট্রকে যোগান দিয়ে আসছে। অথচ চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য কোন বরাদ্দ নাই। এই বৈষম্য মূলক আচরণ স্বাধীনতার পর থেকে আজকে পর্যন্ত অব্যহত রয়েছে। চট্টগ্রামের অধিকাংশ এলাকায় গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি থাকে না। মান্দাতার আমলের সুয়ারেজ সিস্টেম বাতিল করে ৯৬ এর মাস্টারপ্লান বাস্তবায়ন করতে হবে। হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধি করে নগর বাসীকে রাস্তায় নামিয়ে নগরীর উন্নয়ন সম্ভব নয়। চট্টগ্রাম শহরের উন্নয়ন করতে হলে সরকারকে অবশ্যই আলাদা অর্থ বরাদ্দ দিতে হবে। বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ গণ অধিকার ফোরামের উপদেষ্টা আলহাজ্ব মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ বলেন, মন্ত্রণালয়ের দোহাই দিয়ে নতুন নিয়মে চট্টগ্রাম নগর বাসীর নিকট থেকে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় করা যাবে না। গত দুই বছরে নগর বাসীকে এমন কি সেবা দিয়েছেন ? যে নতুন করে হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধি করতে হবে। জনগণের মনের ভাষা বুঝতে চেষ্টা করুন। কোন রাজনীতিবিদ ও প্রশাসক এক গুয়েমী করে জীবনে সফল হতে পারে নাই। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চ.গ.অ. ফোরামের সহ-সভাপতি  খোরশেদ আলম, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম, মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন, মোহাম্মদ নুরুদ্দীন নুরু, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট মোহাম্মদ সেলিম,সহকারী সম্পাদক এয়ার মোহাম্মদ, হাফিজুল ইসলাম মজুমদার মিলন, মোহাম্মদ আলমগীর, হাজী আবুল বশর, গাজী সেলিম, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব এস এম আব্দুল মাবুদ, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ফয়সাল উদ্দীন সাদ্দাম, রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ জানে আলম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দীন ,রাশেদ কামাল ও মো: জাকির হোসেন প্রমূখ।

শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply