চট্টগ্রামের অধিবাসী আমেরিকা প্রবাসী ইসমাইল এখন বহুমূখী হয়রানীর শিকার। সে দেশে এসে পাওনা টাকা উদ্বার করতে গিয়ে এই হয়রানী শিকার হচ্ছেন।নিজ

মায়ের পেটের আপন ভাইয়ের সাথে ঘটেছে এই পাওনা দেনার নির্মম ঘটনা । আপন ছোট ভাইয়ের দ্বারাই নানানমূখী হয়রানীর শিকার হয়ে আমেরিক প্রবাসী ইসমাইল এখন কী করবে, কীভাবে পাওনা টাকা ফেরত পাবে ও কীভাবে মামলা থেকে রেহাই পাবে এই চিন্তায় তিনি কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছেন।

জানা গেছে, হাটহাজারী থানার গুমান মর্দন গ্রামের মৃত ইদ্রিস সওদারের বড় ছেলে মোঃ ইসমাইল দীর্ঘদিন রিয়াজ উদ্দিন বাজারে পাইকারী ও খুচরা আচার ও কেন্ডি  ব্যবসা করতেন।  ১৯৯৬ সাল থেকে ২০১১ পর্যন্ত তিনি এই ব্যবসায় লিপ্ত ছিলেন। এরপর ২০১২ সালে অন্নের সন্ধানে তিনি আমেরিকায় পাড়ি জমান। একটানা ৫ বছর বিদেশে থেকে তিনি যা টাকা পয়সা জমান তা দিয়ে তার ছোট ভাই মোঃ ইকবাল হোসেনকে চুক্তির মাধ্যমে ১ কোটি ২ লাখ টাকা কতিপয় শর্তে কর্জ দেন।এর পূর্বেও ওই সহোদর ভাইকে  নিজ খরিদের জায়গা বন্ধক রেখে ব্যাংক থেকে ১কোটি ৫০ লাখ নিয়ে দেয়। সর্বমোট ২কোটি ৫২ লাখ টাকা বড় ভাই ইসমাইল ছোট ভাই ইকবালকে দেয়। যা নিকট আত্মীয় ও চুক্তিপত্রের স্বাক্ষীগন জানেন।

সর্বশেষ চলতি বছরে ইসমাইল দেশে আসার পর ছোট ভাই ইকবাল থেকে পাওনা টাকা  চাইলে সে নানান তাল বাহনা শুরু করে। এক পর্যয়ে কয়েক দফায় শালিশী বৈটকও হয়। ওইসব বৈটকে টাকা ফেরত দেবার কথা বলে ও টাকা দেবার সময় নেয়। কিন্তু সে নিজের কথা নিজে রক্ষা করেনি ববং উল্টো বড় ভাই ইসমাইলকে নানানভাবে হয়রানী ও মামলায় জড়িয়ে দেবার জন্য অপচেষ্ঠা চালায়। দস্তরমতো ইসমাইলের নামে চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানায় একটি মামলাও টুকে দেয়।ওই মামলায় .ইসমাইলের অজ্ঞাত এক ব্যাক্তিকে কৌশলে  দাঁড় করিয়ে  মামলাটি  দায়ের করা হয়।ইসমাইলের অজ্ঞাত ওই ব্যাক্তিটি কক্সবাজারের সেলিম একজন কুখ্যাত ইয়াবা ব্যবসায়ী।ওই সেলিম নামক ব্যাক্তিটি গত ৯আগষ্ট সে ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে ধরা পড়ে।আমেরিকা প্রবাসী ইসমাইলের প্রতি ওই মামলায় অভিযোগ করা হয় ধৃত ইয়াবাগুলো ইসমাইলের জন্য আনা হচ্ছিল।আমাদের প্রতিনিধির সাথে ইসমাইল টেলিফোন কথা বল্লে “তিনি বলেন আমি সেলিম নামক কাউকে চিনি না।আমাকে মামলায় জড়িয়ে দিয়ে আমি যাতে পাওনা টাকা উদ্ধারে কাজ করতে না পারি সেইজন্য ইয়াবা চক্র ওয়ারেন্ট প্রাপ্ত আসামী ইকবাল গং এই কাহিনী সাজাইয়ে হয়রানী করছে।” ইতিপূর্বে ইয়াবা ব্যবসায়ী চক্র আমাকে জানে মারার হুমকি দিয়েছে ও সহসা আমেরিকা চলে যাবার জন্য চাপ প্রয়োগ করে চলেছে।এই বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে তিনি পাঁচলাইশ থানায় একটি সাধারন ডাইরীও করেছেন। ডাইরী নং পাচঁলাইশ মডেল থানার জিডি নং ১৭৯৫ তাং ২৫-০২ ২০১৭। এই বিষয়ে এ এস আই দিদারুল ইসলাম আমাদের প্রতিনিধিকে বলেন আমার এই মামলায় আমেরিকা প্রবাসী মোহাম্মদ ইসমাইল নামক কেউ নেই।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ সংবাদ