উপ-সম্পাদকীয়

আল কোরআন ও রমজানুল মোবারক

মাহমুদুল হক আনসারী মহাগ্রন্থ পবিত্র কোরআনুল করীম মহান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে সর্বশেষ অবর্তীণ আসমানী কিতাব।সর্বশেষ ও শ্রেষ্ঠ নবী মুহাম্মদ…

বিস্তারিত

ইবাদত কখনো আনুষ্ঠানিক বা লোক দেখানো হতে পারেনা

জিল্লুর রহমান রোজা এবং তারাবীহ দুইটাই একে অপরের পরিপূরক সিয়াম সাধনার অন্যতম হলো রোজা আর নামাজ কিন্ত আমাদের মধ্যে এই…

বিস্তারিত

মাগো ক্ষমা করে দিও

“মা” অতি ছোট্ট একটি শব্দ। কিন্তু এর গুরুত্ব এবং মর্যাদা কতটুকু তা বলে শেষ করা সম্ভব নয়। কিন্তু এমন দয়ালু…

বিস্তারিত

সবুজ পাহাড়ে কালো মেঘের ছায়া

মো. ফরিদ উদ্দিন বাংলার জনক,জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল, বাংলাদেশ কে সোনার বাংলায় রুপান্তর করতে। কিন্তু বিপদগ্রামীদের…

বিস্তারিত

শিশু শিক্ষায় কী দেখছি

মাহমুদুল হক আনসারী শিশুরা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হলে দেশ এগিয়ে যাবে। জাতি এর সুফল ভোগ করবে। তাই বলা যায়-শিক্ষাই শক্তি, শিক্ষাতেই…

বিস্তারিত

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং পুলিশ বাস্তবতা বনাম আমাদের অতিরঞ্জিত প্রপাগান্ডা

মো.ফরিদ উদ্দিন একটি দেশকে যদি কোনো মুদ্রার সাথে তুলনা করা হয় তাহলে সেই দেশের ‘স্বাধীনতা অর্জন’ এবং ‘স্বাধীনতা রক্ষা’ একই…

বিস্তারিত

কষ্টের ফেরিওয়ালা -আজহার মাহমুদ 

আমাদের প্রত্যেকের জীবনের সাথে জড়িয়ে আছে সুখ, কষ্ট, আনন্দ, বেদনা, ব্যথা, বিরহ, হাসি, কান্না আরো অনেক কিছুই। প্রত্যেকের জীবন এসব…

বিস্তারিত

বজ্রপাত ও জলবায়ু পরিবর্তনে করণীয়

মাহমুদুল হক আনসারী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাড়ছে দুর্যোগের ঘটনা।বাড়ছে ক্ষতিকর নানামুখী জনদুর্ভোগ। যখন তখন আঘাত হানছে ঝড়, তুফান ও সমুদ্রের…

বিস্তারিত

বন্ধুত্বের মধ্য কোনো ভেদাভেদ নেই

আজহার মাহমুদ আমাদেরে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সহ সকল প্রতিষ্টানে ছেলে এবং মেয়ে একসাথেই পড়ালেখা করে থাকি। সকলেই একে অন্যের্ বন্ধু।…

বিস্তারিত

বুদ্ধ পূর্ণিমা : বুদ্ধের শিক্ষা

বুদ্ধ পূর্ণিমা সমগ্র মানব জাতির জন্য নিয়ে আসে শান্তির মহান বার্তা। সকল প্রকার হিংসা, শোষণ-নির্যাতন, অবিচার- অনাচার, বর্ণ বৈষম্য, বিভেদ,পৈশাচিকতার বেড়াজাল ছিন্ন করে, ক্ষমা, সহিষ্ণুতা বা ক্ষান্তি, ত্যাগদয়াশীলতা, সংযমতা বা চারিত্রিক শক্তিতে বলিয়ান হয়ে পাপে ঘৃনা, পূন্যকাজে অকুতোভয় জীবন রক্ষাই বুদ্ধের শিক্ষা। বুদ্ধের জীবদ্দশায় বহু ধর্ম প্রবক্তা তথা ধর্ম প্রচারকের নাম প্রাচীন ভারতের ইতিহাসে পরিদৃষ্ট হয়।ভারতীয় দর্শন শাস্ত্রে দেখা যায় প্রাচীন ভারত ষড়দর্শনের প্রভাব ছিল। যা হলঃ সাংখ্য, যোগ ন্যায় বৈশেষিক, মীমাংসা ও বেদান্ত এই দর্শনগুলো বেদের কর্তৃত্বে বিশ্বাসী, বেদকে অভ্রান্ত ও বেদের সিদ্ধান্তকে প্রামাণ্য বলে মেনেনিতেন, তাই তারা নিজেদেরকে আস্তিক বলে প্রকাশ করত। অপরদিকে চার্বাক, বৌদ্ধ ও জৈন দর্শনে বেদের কর্তৃত্ব ও প্রামাণ্য কে অস্বীকার করার কারণে তাদেরকে বলা হত নাস্তিক দর্শন। কোন কোন ক্ষেত্রে ঈশ্বরে বিশ্বাসীআর অবিশ্বাসী এ নিয়েও আস্তিক বা নাস্তিক নামে আখ্যায়িত করা হত। তার মাঝে আবার সাংখ্য এবং মীমাংসা দর্শনে ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস করা না হলেও তারা বেদে বিশ্বাসী বলে তাদেরকে আস্তিক দর্শনের অন্তর্ভুক্ত করাহয়েছে। ষড়দর্শনের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে অমিল পরিদৃশ্য মান ঘটে। একই ভাবে নাস্তিক দর্শনের নামে খ্যাত চার্বাক, বৌদ্ধ ও জৈন দর্শনের মাঝে বৌদ্ধ দর্শনের সাদৃশ্য কতটুকু তাহা উপলব্ধি করা আমাদের একান্ত প্রয়োজন। মুলতঃ বৌদ্ধ দর্শনের সাথে চার্বাক ও জৈন দর্শনের একটি বিষয়ে মিল আছে আর তা হল এ দুটি দর্শন ঈশ্বর ও বেদের কর্তৃত্বে বিশ্বাসী নয়। আদর্শগত ভাবে অন্যান্য বিষয়ে তেমন মিল দেখা যায় না। জৈন দর্শনে কতিপয়নীতির সাথে বুদ্ধের প্রবর্তিত নিয়মের সাথে মিল থাকলেও পর মূলগত দর্শনের সাথে মিল নেই বললেই চলে। চার্বাক দর্শন যেখানে অক্রিয়াবাদী, কর্তা, ভোক্তা, সুকৃত ও দুষ্কৃত কর্মের ফল বা বিপাকে কোন অস্তিত্বে বিশ্বাসী নয়অপরদিকে জৈন দর্শনে আত্মনিগ্রহ বা কৃচ্ছতায় বিশ্বাসী হয়ে আত্মহননের প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করা হয় সেখানে বৌদ্ধ দর্শন উভয় দর্শনের মধ্যবর্তী একটি আদর্শ পথের সন্ধান দিলেন,যা বৌদ্ধ দর্শনে মধ্যম পথ নামে খ্যাত।অতিরিক্ত ভোগ, বিলাস তথা স্বৈরতাকে অবদমিত করা, আবার কঠোর আত্মনিগ্রহ বা কৃচ্ছতা গ্রহণ না করে মধ্যবর্তী পথে এগিয়ে আসা যা বুদ্ধের মূল শিক্ষা বা শীল, সমাধি, প্রজ্ঞার অনুশীলনের শিক্ষা। বুদ্ধের মূল শিক্ষাই হচ্ছে এই তিনটি স্কন্ধের শিক্ষা- অর্থাৎ শীলস্কন্ধ, সমাধিস্কন্ধ এবং প্রজ্ঞাস্কন্ধ। শীলস্কন্ধে আমরা দেখি বুদ্ধ আমাদের কায়িক বাচনিক ও মানসিক সংযম শিক্ষার গুরুত্ব উপলব্ধি করেছেন। তাই আস্টমার্গেরতিনটি মারগই শীলস্কন্ধের অন্তর্গত। তিনটি মার্গ সমাধি স্কন্ধ এবং দুইটি মার্গ প্রজ্ঞাস্কন্ধের অন্তর্ভুক্ত। উপলব্ধির সুবিধাতে আমরা এভাবেই সাজাতে পারি, প্রজ্ঞাস্কন্ধ, শীলস্কন্ধ এবং সমাধি, (১) সম্যক দৃষ্টি, (২) সম্যক সংকল্পহচ্ছে (প্রজ্ঞাস্কন্ধের অন্তর্গত) (৩) সম্যক বাক্য (৪) সম্যক কর্ম (৫) সম্যক জীবিকা (শীলস্কন্ধের অন্তর্গত) (৬) সম্যক ব্যায়াম বা সম্যক প্রচেষ্টা (৭) সম্যক স্মৃতি (৮) সম্যক সমাধি (সমাধির অন্তর্গত) । প্রজ্ঞাস্কন্ধের আলোচ্য বিষয়ে সম্যক দৃষ্টিই প্রথম। চতুরায সত্য সম্পরকে যথার্থ জ্ঞানই হল সম্যক দৃষ্টি। জীবের সকল দুঃখের মূল কারণ অবিদ্যা, অবিদ্দার কারণে উদ্ভুত হয় মিথ্যা দৃষ্টি, অবিদ্যার বিনাশ সাধনের মধ্য দিয়েআমরা যথার্থ সত্য উপলব্ধি করতে পারি। কেবল সত্য উপলব্ধি করে আমরা দুঃখের বিনাশ সাধন করতে পারিনা। উপলব্ধ সত্যকে দৃঢ় সংকল্পের দ্বারা বাস্তবায়ন বা আত্মস্ত করতে পারলেই দুঃখ মুক্তি সম্ভব। তাই মুক্তিকামী সাধক কে পাপে অনাসক্তি, লোভ, দ্বেষ,মোহ ক্ষয়ের জন্য দৃঢ় হয়ে অগ্রসর হতে হবে। সম্যক দৃষ্টি আর সম্যক সংকল্পে অধিষ্ঠিত মানুষ মাত্রেই অবিনাশী প্রজ্ঞা লাভ করেন এবং অবিদ্যা বিদুরিত করেন। মিথ্যা, বৃথা, কতু, ভেদ এই চতুষ্টয় বাক্য পরিহার করে সুবাসিত উত্তম বাক্য বলাই

বিস্তারিত

Page 1 of 9

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password