বাংলাদেশ, বৃহস্পতিবার, ২০শে মার্চ, ২০১৯ ইং, ৭ই চৈত্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ।

জার্মানি ও আরব আমিরাত সফরে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা ছাড়লেন

এই সফরে রোহিঙ্গা সংকটের দিকে নতুন করে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি ফেরানো, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাংলাদেশী শ্রমিকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্য কাজ করবেন

শেয়ার করুন
0Shares

ছয়দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকাল ৮টা ১০ মিনিটে জার্মানির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে তিনি জার্মানির উদ্দেশে রওনা হন।

জার্মানির মিউনিখে নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগদান শেষে ফেরার পথে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাবেন শেখ হাসিনা। টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তার প্রথম বিদেশ সফর। দুই দেশে মোট ছয়দিন সফর করবেন তিনি।

রাজনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন, রোহিঙ্গা বিষয়ে আলোচনা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ করাই এই সফরের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে রোহিঙ্গা সংকটের দিকে নতুন করে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি ফেরানো, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাংলাদেশী শ্রমিকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর জার্মানি ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করেন। পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসময়ে উপস্থিত ছিলেন।পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দেশ দুটিতে ছয় দিনের সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জার্মানির মিউনিখে একটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগ দিবেন। এছাড়া তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে একটি প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতে যোগ দিবেন। তিনি আরব আমিরাতে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকও করবেন। ‘বেস্ট থিঙ্ক ট্যাঙ্ক কনফারেন্স’ হিসেবে বিবেচিত মিউনিখ নিরাপত্তার সম্মেলনের সাইডলাইনে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেলসহ বিভিন্ন বিশ্ব নেতার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা ও জার্মানির চ্যান্সেলরের মধ্যে বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট এবং জার্মান ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বহুমুখী বিনিয়োগসহ অন্যান্য প্রধান দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনা হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সফর সঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট আজ সকালে ঢাকা ত্যাগ করবে।

এই সম্মেলনকে বাংলাদেশের জন্য সুযোগ হিসাবে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি আস্থার সঙ্গে বলতে পারি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বৈশ্বিক পরিমন্ডলে আমাদের অবস্থান ও ভাবমূর্তি আরো দৃঢ় ও উজ্জলতর করবে। মিউনিখে প্রধানমন্ত্রী শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও হেলথ ক্যাম্পেইনারদের সাথেও বৈঠক করবেন।

মিউনিখে পৌঁছার পর প্রধানমন্ত্রী হোটেল শেরাটনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেয়া একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

শেয়ার করুন
0Shares

আরো খবর

Leave a Reply