বাংলাদেশ, রবিবার, ১৯শে মে, ২০১৯ ইং, ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ।

পতেঙ্গায় ইয়াবা দিয়ে অন্যজনকে ফাঁসাতে গিয়ে কারবারীরাই শীঘ্ররে

চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানাধীন দক্ষিণ পতেঙ্গা ৪১নং ওয়ার্ডে কয়েকজন ইয়াবা-মাদক গডফাদারদের সন্ধান পাওয়া গেছে । নগরীর সর্ব দক্ষিণে ৪১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ নুরুল আবছার প্রকাশ (ইয়াবা আবছার) পিতা-মৃত বদিউর রহমান। সে এলাকায় এবং মৎস্য দপ্তরের তালিকাভুক্ত একজন নৌকার মাঝি হিসেবে পরিচিত।
সেই সুবাধে নুরুল আবছার নিষিদ্ধ ইয়াবা, মদ,চোরা তেল,বিয়ার,গাজা ও উস্কী সহ আরো বেশ কয়েকটি অবৈধ ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠে। নৌকার মাঝি থাকায়- বিভিন্ন দেশী বিদেশী জাহাজ থেকে গনহারে তেল চোরীর সময় বিদেশী নাবিক এবং দেশীয় নৌ-শ্র্রমিকদের কাছে ইয়াবা, মদ বিক্রয় করে রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ বনে যান বলে দক্ষিণ পতেঙ্গার বাসিন্দার জানিয়েছেন॥
ইয়াবা ব্যবসায়ী এই আবছার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে ব্যবহার করে সারা চট্টগ্রাম শহরে ইয়াবা-মাদকের চালান চড়িয়ে দিয়ে তরুণ যুব সমাজ কে এই অনৈতিক কর্মে উৎসাহ দিচ্ছে।তাকে এই অবৈধ কাজে সহায়তা দেন তার বোন জামাই -টেস্টাইল ইলিয়াছ,ডিস রাজু ও আদিল ।

 অভিযোগ রয়েছে যে, পতেঙ্গা থানা পুলিশ,র‌্যাব-৭,ডিবি পুলিশ এবং মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরকে ম্যানেজ করেই সে পুরো পতেঙ্গা-ইপিজেড বন্দর এলাকায় মাদকের স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেন্ ।আর অ

তি অল্প সময়ে নুরুল আবছার ২/৩ কোটি টাকা মূল্যের বিশাল বাড়ী, এবং নামে -বেনামে পরিবারের সদস্যর নামে জমি-জমা ক্রয় করে সরকারী রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার কথা সবারই জানা। ইয়াবা, মদ সহ কিছুদিন পূর্বে এই দূর্দর্য অপরাধী নুরুল আবছার পতেঙ্গা পুলিশের কাছে আটক হয়ে জেল হাজত বাস করে এসে এখন দ্বিগুন উৎসাহ নিয়ে অসামাজিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন ।

উল্লেখ্য যে, গত সপ্তাহ পূর্বে(২/১১/২০১৮) রাত আনুমানিক ১২টার সময় বিজয় নগরের শহিদ মিনারের উপরে যুবক আদিল কে ৬০০ (ছয়শত) ইয়াবা দিয়ে সমাজসেবক গাভী ইলিয়াছ নামের এক ব্যবসায়ীকে ফাসাঁতে গিয়ে বর্তমানে ওই যুবক আদিল এখন জেল হাজতে রয়েছে বলে পতেঙ্গা থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। আর সেইদিনের ঘটনায় আদিল কে জনতা ধরে গণধোলাই দেন বলে বিজয় নগরের বাসিন্দা বাহারন জানান।
বিষয়টি স্বীকার করে থানার ওসি তদন্ত নুরুল আজীম বলেন,অপরাধী যেই হোক তাকে আমরা ছাড় দেই না।আর ওই ঘটনার যুবক আদিলকে ৪১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের উপস্থিতেই জনতা পুলিশকে সোপার্দ করেন। আর সে সময়ে ডিবি  ও থানা পুলিশকে আদিল স্পষ্ট করে জবান বন্দি দেন যে,নুরুল আবসার ও টেক্সটাইল ইলিয়াছও ডিস রাজু মিলে আদিল কে ২লাখ  টাকা দিয়ে ব্যবসায়ী গাভী ইলিয়াছকে ফাঁসাতে এই অনৈতিক কাজটি করেন বলে থানা সূত্রে জানা যায়।
ধৃত আদিলের নামে পতেঙ্গা থানায় মাদক আইনে একটি মামলা দিলে সে এখন জেল হাজতে রয়েছে। আর গত কয়েকদিন আগে ওই মামলায় আদিলকে ২দিনের রিমান্ডে আনার বিষয়টি দায়িত্বরত পুলিশ অফিসার জানান। ধৃত আদিলের জবান বন্দিতে ইয়াবা আবছার, টেক্সটাইল ইলিয়াছ , ডিস রাজু ও এই মামলার অভিযুক্ত আসামী।
ভুক্তভোগি-নির্যাতিত সমাজসেবী ,ব্যবসায়ী গাভী ইলিয়াছ জানায়-অন্যান্যরা আসামীরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরাঘুরি করলেও প্রশাসন কিছু করছে না। আর এরা সংঘঠিত হয়ে এলাকার নিরীহ লোকদের ফাসাঁতে ফাঁদ তৈরি করে । তিনি আরো জানান,কিছু প্রভাবশালীর ইন্দনে ওই আসামিরা ইয়াবা-মদ,র্শীপের তেল চুরি করে গোটা শহরকে অপরাধের স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলছেন।এদের লাগাম টেনে না ধরলে আরো ভয়াবহ মাদকের আগ্রাসন ঘটবে।
এদিকে দক্ষিন পতেঙ্গার শতশত বাসিন্দার মতে, এদের শাস্তি না হলে সমাজে অশান্তি নেমে আসবে এবং আইন শৃংখলার বিঘ্ন ঘটবে।

আরো খবর

Leave a Reply