বাংলাদেশ, শুক্রবার, ২৬শে এপ্রিল, ২০১৯ ইং, ১৩ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ।

এমপি রানার জামিন হয়নি

 মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি এমপি আমানুর রহমান খান রানার জামিন আবেদন আবারো না-মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মাকসুদা খানম উভয়পক্ষের শুনানি শেষে জামিন আবেদন না-মঞ্জুরের আদেশ দেন।  সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।
এদিকে রানার জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে আদালত চত্বরসহ শহরে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। আদালত এলাকায় রানার পক্ষে মিছিল করেন তার কর্মী-সমর্থকরা। অন্যদিকে এমপি রানাসহ সকল আসামির ফাঁসির দাবিতে মিছিল করেন বাদীপক্ষের লোকজন।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) শরিফুল হক জানান, দুপুর ১২টার দিকে এমপি রানার সমর্থকরা টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের দিক থেকে একটি মিছিল নিয়ে আদালত এলাকায় ঢুকতে চাইলে জেলা সদর গেটে পুলিশি বাধার মুখে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ দুই রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। দুপুর ১টার দিকে হাসপাতাল গেটের একটি দোকান থেকে আট রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যাগাজিন ও একটি বিদেশি পিস্তলসহ রাইছুল ইসলাম রাব্বি ও মাজাহার হোসেন তমাল নামে এমপি রানার দুই সমর্থককে আটক করে পুলিশ। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে আরও নয়জনকে আটক করা হয়। এছাড়া সেখান থেকে বেশকিছু মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
উল্লে­খ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে জেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা ফারুক আহমেদকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এমপি রানা ও তার তিনভাই সহিদুর রহমান খান মুক্তি, জাহিদুর রহমান খান কাকন ও সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে।

আরো খবর

Leave a Reply