সড়ক দূর্ঘটনায় গেল আরো ৯ প্রাণ

  প্রিন্ট
(Last Updated On: সেপ্টেম্বর ২, ২০১৮)
সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামছেই না। গত ২৪ ঘন্টায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আরো ৯ যাত্রী নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ট্রাক্টরের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে একই পরিবারের ৪ জনসহ পাঁচ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় সিএনজি অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে ঘাতক বাস কেড়ে নিয়েছে কলেজ ছাত্রসহ ৪ যুবকের প্রাণ।
গাইবান্ধার দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন: জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার নাচনি ঘাগোয়া গ্রামের মো. আলাউদ্দিনের ছেলে এমদাদুল হক (২৮), তার স্ত্রী কাকলী বেগম (২২), মেয়ে হেনা খাতুন (০৭) ও বোন আফরোজা বেগম (৩০) এবং পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার সুমন মিয়া (৩০)। এ ঘটনায় আহত ৯ জনকে উদ্ধার করে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পলাশবাড়ী থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমানের বরাত দিয়ে গাইবান্ধা প্রতিনিধি  ও পলাশবাড়ী সংবাদদাতা জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়কের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অদূরে রাইসমিল এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। গাইবান্ধা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী যাত্রীবাহী বাসটি বিপরীতমুখী ট্রাক্টরকে পাশ কাটানোর সময় ধাক্কা লেগে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে বিদ্যুতের খুঁটিতে ধাক্কা খেয়ে পাশের জলাশয়ে উল্টে পড়ে। এসময় বিদ্যুতের তারও ছিঁড়ে ওই জলাশয়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই বিদ্যুতায়িত হয়ে চার বাসযাত্রী মারা যান। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর শিশুটি মারা যায়।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। দুর্ঘটনা কবলিত বাস ও ট্রাক্টর উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। তবে বাস ও ট্রাক্টরের চালক-হেলপাররা পালিয়ে গেছেন।
কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) সংবাদদাতা জানান, শনিবার বিকাল ৩টার দিকে নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া-আঠারবাড়ি সড়কের কাঁঠালতলায় বিপরীত দিক থেকে আসা ‘মায়ের দোয়া’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস একটি সিএনজিকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই ৪ জন নিহত হন। এরা হলেন:কেন্দুয়া ডিগ্রি কলেজের এইচএসসির ছাত্র উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের কাউরাট গ্রামের রবিকুল ইসলামের ছেলে শরীফ (২০), একই ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামের হাদিস মিয়ার ছেলে নাজির উদ্দিন (২৭), উপজেলার বলাইশিমুল (চকপাড়া) গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে সিএনজিচালক জামাল মিয়া (৩৫) ও মোহনগঞ্জ উপজেলার চেচরাখালী ইউনিয়নের সোয়াই গ্রামের আব্দুল হান্নান মাস্টারের ছেলে মুরাদ (১৮)। এ সময় মারাত্মক আহত অবস্থায় গোলাম রব্বানী, জসিম ও শাকিবকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কেন্দুয়া থানার ওসি ইমারত হোসেন গাজী এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ঘাতক বাসটি আটক করা হয়েছে।সৌজন্য ইত্তেফাক

০ Comments

Leave a Comment

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password