বাংলাদেশ, শুক্রবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ।

আইপি ইস্যু করতে চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতির আহবান

 

চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম খাদ্যশস্য আমদানিতে প্রয়োজনীয় আইপি  পূর্বের ন্যায় উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র, চট্টগ্রাম থেকে ইস্যু করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানে ২৪ জুন এক পত্রের মাধ্যমে কৃষি মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী এমপি’র প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

২০০২ সাল থেকে এই আইপি চট্টগ্রাম থেকে ইস্যু করা হলেও সম্প্রতি উদ্ভিদ সংগনিরোধ বিধিমালা-২০১৮ মোতাবেক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের পরিবর্তে কৃষি অধিদপ্তর ঢাকা থেকে আইপি ইস্যু করার নির্দেশনা জারীর প্রেক্ষিতে তিনি এ আহবান জানান। একই আইনে উদ্ভিদ ও উদ্ভিদজাত পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে কোন বিধিমালা লংঘন করা হলে বিশেষ ছাড়পত্র (এসআরও) প্রদান করার বিধানও রহিত করা হয় যা পুনর্বিবেচনার দাবী জানান চিটাগাং চেম্বার সভাপতি।

এ প্রসংগে উল্লেখ্য, খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত খাদ্যশস্য যেমনঃ চাল, গম, ভুট্টা, বিভিন্ন ধরণের ডাল, তৈলবীজ, মসলা, তাজা ও শুকনা ফল ইত্যাদি আমদানিতে এলসি খোলার পূর্বে আইপি নেয়া বাধ্যতামূলক এবং এত বছর যাবৎ চট্টগ্রাম কার্যালয় থেকে এ আইপি ইস্যু করা হতো। কিন্তু উল্লেখিত বিধিমালা ও সাম্প্রতিক নির্দেশনার ফলে ঢাকাস্থ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে আইপি সংগ্রহ করা বৃহত্তর চট্টগ্রামের আমদানিকারকদের জন্য অত্যন্ত সময় সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল।

এতে করে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক ও শিল্পোদ্যোক্তাগণ অসুবিধার সম্মুখীন হবেন। এ ধরণের নির্দেশনার ফলে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, আমদানী রপ্তানী কার্যক্রম ব্যাহত এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও রাজস্ব আহরণ বাধাগ্রস্থ হবে বলেও তিনি পত্রে উল্লেখ করেন।

চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম সংখ্যাগরিষ্ঠ আমদানিকারকদের সুবিধার্থে উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইং, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ফার্মগেট, ঢাকা এর পরিবর্তে উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র, সমুদ্র বন্দর, চট্টগ্রাম কার্যালয় থেকে আইপি ইস্যু কার্যক্রম পুনর্বহাল করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদানে এতদঞ্চলের ব্যবসায়ী সমাজের পক্ষ থেকে কৃষি মন্ত্রীর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান।

আরো খবর

Leave a Reply