সম্মাননা পদক আমাকে কাজের প্রেরণা দিয়েছে -রেজাউল করিম মামুন

  প্রিন্ট
(Last Updated On: মে ২৭, ২০১৮)

চৌকষ পুলিশ সদস্য রেজাউল করিম মামুন। চট্টগ্রাম জেলার সমুদ্র উপকূল আনোয়ারা থানায় কর্মরত আছেন তিনি।কনস্টেবল পদে ২০০৬  সনে পুলিশ বিভাগে যোগ দেন ।  ২০১৬ সনে পদোন্নতি পেয়ে তিনি এ. এস. আই হন।ইতিমধ্যে কর্মরত থানার সকল মহলে তিনি মাদকমুক্ত ও মাদক কারবারী দমনে ও দূর্ধর্ষ আসামীদের আটক করে সুশীল সমাজের দৃষ্টি আকর্ষিত হন।এই কারণে স্যোসাল মিডিয়াসহ আনোয়ারার তরুন সমাজে তাঁর পরিচিতি বেড়ে যায়।দেশের অন্যতম অনলাইন দৈনিক বাংলাপোস্টবিডি.কম ৪র্থ বর্ষপূর্তি অনুস্টানে তাঁর অনন্য কাজের স্বীকৃতিস্বরুপ তাঁকে সম্মাননা পদক দেয়। পদক পাবার খবর ভাইরাল হয় ব্যাপকভাবে। জনেমনে তিনি আরো পরিচিতি পান। বৃহত্তর পাঠকসমাজ কিংবা ভিজিটরগণ তাঁর সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য তাঁর একটি সাক্ষাৎকার গ্রহন করি । যা নিম্নে সম্প্রচার করা হলো।

রেজাউল করিম মামুনের পক্ষে তার ছোট ভাই সম্মননা পদক গ্রহণ করছেন

বাংলাপোস্টবিডি: চাকুরীজীবনে এই সম্মাননা পদক আপনাকে উৎসাহ ও অনুপ্রেরনা জোগাবে । এই বিষয়ে আপনার মতামত কী?

রেজাউল করিম মামুন: অনলাইন দৈনিক বাংলাপোস্টবিডি.কম একটি মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ভালো কাজের উৎসাহ অনুপ্রেরণা পেলে আরো ভালো কাজ করতে সাহস পাই।আমাকে সম্মাননা দিয়ে আমার দায়িত্ব আরো বেড়ে গেছে।সত্যিই জীবনে এই পদক আমাকে আরো উৎসাহ  ও অনুপ্রেরণা জোগাবে।দায়িত্ব পালন ও মাদকমুক্ত আনোয়ারা গড়ার জন্য আমার এসপি স্যার ও দুলাল মাহমুদ স্যারের প্রেরণা ও সাহস এই পদক লাভের মূল নিয়ামক শক্তি।স্যারদের বুদ্ধি ও দিকনির্দেশনা আমাকে এই সফলতা এনে দিয়েছে।

বাংলাপোস্টবিডি: আপনিতো মাদক উদ্ধার ও মাদক কারবারীদের আটক করে সুনাম অর্জন করেছেন।এক্ষেত্রে প্রচুরও ঝুঁকিও আছে।এই ঝুঁকি নিরসনে আপনার কৌশল কী ছিল?

রেজাউল করিম মামুন: মাদক উদ্ধার ও মাদক কারবারীদের আটক করা অতি ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। হেটিখাইনে একবার মহা বিপদে পড়েছিলাম।ইটের আঘাত মাথায় ৪টি সেলাই দিতে হয়।মাদকসেবীরা ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার করে।ফলে গ্রামবাসীরা দল বেঁধে ইট মারতে থাকে। অভিযানে থাকা আমরা সকলেই কমবেশী আঘাত পাই।অসংখ্যবার ঝুঁকির মধ্যে পড়ি।অবশ্যই কিছু কৌশলতো আমাদের থাকেই।একেক সময় একেক রকম কৌশলের আশ্রয় নিতে হয়।কৌশলও পা্ল্টাতে হয় বার বার।আপনারাইতো দেখেন একেক সময় একেক কৌশলে মাদক আটক করি ও আসামী ধরে থাকি।

বাংলাপোস্টবিডি: অপরাধী ও মাদক কারবারীরা আপনাকে নানান প্রলোভন দিতে পারে।এক্ষেত্রে আপনি যে আপোষ করেন না তা কীভাবে আমাদের বুঝাবেন?

রেজাউল করিম মামুন: দেখুন, প্রলোভন দেবার বিষয়টি স্বাভাবিক। আমি ও আমার স্যার প্রলোভনে পড়ে গেলেতো মাদক ধরা পড়ত না।মাদক কারবারীরাও আটক হতো না।মাননীয় স্বরাষ্টমন্ত্রী ও মাননীয় ভুমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ মহোদয়ের জিরো টলায়েন্স নীতি আমরা ফলো করি।এই বিষয়ে আনোয়ারার সকল শ্রেণীর মানুষের সহযোগিতা কামনা করি।

বাংলাপোস্টবিডি: আপনার উল্লেখ্যযোগ্য অভিযানগুলো কী কী?

রেজাউল করিম মামুন: আমি একবার সাড়ে তিন লাখ পীচ,  ৫০হাজার পীচ ও  আরেকবার ৩০ হাজার পীচ ইয়াবা উদ্ধার করি।সাড়ে তিন লাখ পীচ ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।এই সময় আমি মৃত্যের মুখোমুখী হয়েছিলাম। সাগরে গামছা পড়ে নেমে যাই।এটি জীবনেও ভুলব না।এছাড়া ও দশ, পাচ, তিন, দুই, এক হাজার ও পাঁচ শত, দুইশত অনেক ধরছি। 

০ Comments

Leave a Comment

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password