তিস্তার ভাঙ্গণ অব্যাহত ফসলি জমি নদীগর্ভে

  প্রিন্ট
(সর্বশেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০১৮)

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তিস্তা নদীর উজানে ভাঙ্গণ অব্যাহত রয়েছে। যার কারণে উঠতি ফসলসহ আবাদি জমি নদী গর্ভে বিলিন হচ্ছে দিনের পর দিন। নদী ভাঙ্গণ ঠেকাতে স্থায়ীভাবে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় অসময়ে এই ভাঙ্গণ দেখা দেয়। উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত রাক্ষুসি তিস্তা নদী। গোটা বছরেই প্রায় নদী ভাঙ্গণ অব্যাহত থাকে। গত ১০ দিন ধরে উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের উরুয়ারবাতা ও সুইচ গেট এবং কাপাসিয়া ইউনিয়নের লালচামার এলাকায় নদী ভাঙ্গণ দেখা দিয়েছে। গত ১০ দিনের ব্যবধানে ভাঙ্গণের কবলে শতাধিক একর আবাদি জমি উঠতি ফসলসহ নদীগর্ভে বিলিন হয়েছে। এছাড়া কালাইসোতার চর, কেরানির চর, ফকিড়ের চর, উজান বুড়াইল, ভাটি বুড়াইল, হরিপুর খেয়াঘাট এলাকায় ভাঙ্গণ দেখা দিয়েছে। উরুয়ারবাতার ফরমান আলী জানান, এ বছরে তার বাড়ী দুইবার ভেঙ্গেছে। বর্তমানে তিনি আশ্রয় কেন্দ্রে এসে আশ্রয় নিয়েছে। তিনি আরও বলেন- ঘরবাড়ী সরাতে তার সম্বল শেষ হয়ে গেছে। যার কারণে তাকে এখন খেয়ে না খেয়ে জীবন যাপন করতে হচ্ছে। শ্রীপুর ইউপি চেয়ারম্যান- সহিদুল ইসলাম জানান- শ্রীপুর ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকায় প্রায় সারা বছরেই নদী ভাঙ্গণ চলতে থাকে। যার কারণে এই ইউনিয়নের মানুষ অতিকষ্টে জীবন যাপন করে আসছে। চরের মানুষকে সারা বছর ঘর-বাড়ী সরানোর জন্য সব সময়ে প্রস্তুত থাকতে হয়। চেয়ারম্যান স্থায়ীভাবে নদী ভাঙ্গণ রোধের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের নিকট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবী জানান। গতকাল রোববার এমপি ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী শ্রীপুর ইউনিয়নের নদী ভাঙ্গণ কবলিত উরুয়ারবাতা ও সুইচ গেট এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এমপি শামীম স্থায়ীভাবে নদী ভাঙ্গণ রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।

০ Comments

Leave a Comment

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password