৪ ইস্যুতে আবারও আন্দোলনে রাবি শিক্ষার্থীরা

  প্রিন্ট
(সর্বশেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০১৮)

উমর ফারুক,রাবি প্রতিনিধি
কোটার আন্দোলনকারীদেরকে নিয়ে মতিয়া চৌধুরীর রাজাকারের বাচ্চা, অর্থমন্ত্রীর বাজেটের আগে কোটা সংস্কার নয়, কোটা সংস্কার আন্দোলন কারীদের আটককরে রাখা এবং অসুস্থ শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার দায়িত্ব না নেওয়া এই ৪ টি ইস্যুতে কোটা সংস্কার আন্দোলনের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার শিক্ষার্থীরা আবারও ফুঁসে উঠেছে। কেন্দ্রীয় নির্দেশনার পর আন্দোলনে এসেছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সমন্বয়ক মাসুদ মোন্নাফ। সন্ধ্যা ৬ টার দিকে রাবির কেদ্রিয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে মিছিল বের করে আন্দোলনকারীরা ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।
এদিকে শিক্ষার্থীদের সকল ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ সময় বিক্ষোভ মিছিলে মতিয়ার চামড়া তুলে নেব আমরা, মতিয়া তুই রাজাকার তুই রাজাকার, ইনুর কালো হাত গুড়িয়ে দাও দাও ইত্যাদি স্লোগানে স্লোগানে মন্ত্রীদের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করতে থাকেন শিক্ষার্থীরা।
কোটা সংস্কার কমিটির সরাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক মাসুদ মোন্নাফের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীর সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পূর্বের স্থানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মাসুদ মোন্নাফ বলেন, ‘আগামীকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করা হবে। কোটা সংস্কারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্পষ্ট ঘোষণা না আসা পর্যন্ত আগের মতো আন্দোলন চালিয়ে যাবো’।
এসময় সকল ভেদাভেদ ভুলে অন্দোলনে শরীক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি ।
এদিকে দুপুরে প্রগতিশীল ছাত্রজোটের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকারী উম্মে কুলসুম কণি বলেন, ‘দুপুরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমাদের আগামীকালের কর্মসূচি জানিয়ে দিয়েছি। তবে তাদের সাথে আন্দোলনে যাবো কি না সে বিষয়ে পরে জানানো হবে’।
এদিকে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শক্ত অবস্থানে রয়েছে। যে কোন ধরনের বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে’।

০ Comments

Leave a Comment

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password