প্রজাপতি মিনি চাইনিজ-এ চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ

  প্রিন্ট
(সর্বশেষ আপডেট: মার্চ ২৬, ২০১৭)

 

বিশেষ প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম নগরীর সাগরিকা দক্ষিণ কাট্টলী জাইল্লাপাড়া সাগর পাড়ে অবস্থিত প্রজাপতি মিনি চাইনিজ-এ সুস্বাদু খাবার পরিবেশনের নামে স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীরা অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকতে দেখা যায়। অনুসন্ধানে জানা যায় মিনি চাইনিজের ভিতরে রয়েছে ছোট্ট ছোট্ট কালো গ্লাসের গড়া রুম। প্রতিটি রুমের ভিতরে রয়েছে ছোট্ট একটি করে বক্স খাট; দেখে মনে হয় এটি কোনো খাদ্য পরিবেশনের মিনি চাইনিজ নয়। অসামাজিক কার্যকলাপের একটি স্টল। এলাকার জনসাধারণ সুত্রে জানা যায়, সাগর পাড়ে ঘুরতে আসা স্কুল-কলেজ পড়–য়া ছেলে-মেয়েরা স্কুল-কলেজ ফাঁকি দিয়ে বন্ধু-বান্ধব নিয়ে মিনি চাইনিজ-এ নাস্তা করার নাম করে বিভিন্ন অসামাজিক ও অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে যাচ্ছে তারা। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, এই অসামাজিক কার্যকলাপে সহযোগিতা করে আসছে প্রজাপতির মিনি চাইনিজ-এর পরিচালক মালিক ফরিদ। এই অনৈতিক কার্যকলাপের কারনে যেমন নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ, খুন, খারাপি, রাহাজানি ও কিডনাপের মত বড় ধরণের অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে বলে মনে করেন বিশিষ্ট জনেরা। প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তা এবং এলাকার প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে নীরবে চালিয়ে যাচ্ছে কালো গ্লাসে গড়া প্রজাপতি মিনি চাইনিজ-এ অসামাজিক ও অনৈতিক কর্মকান্ড। সরেজমিনে আরো দেখা যায়, মিনি চাইনজি-এর ভিতরে বাথরুমের ঝুড়িতে ছেলে-মেয়েদের ব্যবহৃত কনডম। এতে কি বুঝা যায়? সচেতন ব্যক্তিরা ভালই করে জানেন। আরো জানা যায়, প্রজাপতি মিনি চাইনিজ-এর মালিক ফরিদ সে একজন ডিবি পুলিশের কর্মকর্তা। নগরবাসীর প্রশ্ন, প্রশাসনের কর্মকর্তা হয়ে এই ধরণের অসামাজিক ও অনৈতিক কার্যকলাপের মিনি চাইনিজ-এর স্টল খুলে রাখলে আইন শৃঙ্খলা অবনতি হবেই তো বটে। নগরের বিভিন্ন এলাকায় অনুসন্ধানে দেখা যায়, যেমন: চকবাজার গোলজার, কাজির দেউড়ি, জিইসি মোড়, খুলসী, বহদ্দারহাট, আগ্রাবাদ, হালিশহর ইত্যাদিতে প্রজাপতি মিনি চাইনিজ-এর মত কালো গ্লাসে গড়া অসংখ্য মিনি চাইনিজ। যেগুলোতে মাশোহারা দিয়ে চলছে নীরবে শ্রীলতাহানী প্রেমের নামে ধর্ষন ও অনৈতিক কর্মকান্ড। আইন থাকলেও আইনের কোনো প্রয়োগ নেই বলে মনে করেন নগরবাসী।

০ Comments

Leave a Comment

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password