বাংলাদেশ, শুক্রবার, ২৬শে এপ্রিল, ২০১৯ ইং, ১৩ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ।

সুনামগঞ্জে আবারও চোরাই কয়লা আটক

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে আবারো চোরাই কয়লা আটক করেছে বিজিবি। কিন্তু সোর্স পরিচয়ধারী একাধিক কয়লা,মদ ও চাঁদাবাজি মামলার জেলখাটা আসামীদের গ্রেফতার করেনি। আটককৃত কয়লার পরিমান ৪মে.টন(৬০বস্তা)। যার বর্তমান বাজার মূল্য অর্ধলক্ষাধিক টাকা। এব্যাপারে বিজিবি ও এলাকাবাসী জানায়,প্রতিদিনের মতো আজ ২৩.০২.১৮ইং শুক্রবার ভোর ৫টায় বিজিবি চোখ ফাঁকি দিয়ে চাঁদাবাজি মামলা নং-জিআর-১৬৩/০৭ইং এর জেলখাটা আসামী জিয়াউর রহমান জিয়া,তার সহকর্মী চোরাচালান,চাঁদাবাজি ও বিজিবির উপর হামলাসহ মোট ৮টি মামলার জেলখাটা আসামী কালাম মিয়া ও কয়লা চোরাচালান মামলা নং-৯,জিআর-১৫৮/০৭ইং এর আসামী আব্দুর রাজ্জাক তাদের একান্ত সহযোগী আব্দুল হাকিম ভান্ডারী,বাবুল মিয়া ও ইদ্রিস আলীকে নিয়ে টেকেরঘাট সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারত থেকে ২০মে.টন (৩০০বস্তা) কয়লা পাচাঁর করে জিয়াউর রহমান জিয়া ও আব্দুর রাজ্জাকের বাড়ির সামনে অবস্থিত পাটলাই নদীতে ২টি নৌকা বোঝাই করার সময় ও লাকমা,টেকেরঘাট পৃথক অভিযান চালিয়ে টেকেরঘাট বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার রাশেদ খান ৪মে.টন(৬০বস্তা) কয়লা জব্দ করেন। আর বাকি কয়লা সোর্স পরিচয়ধারী চোরাচালানী জিয়াউর রহমান জিয়া,আব্দুল হাকিম ভান্ডারী,ইদ্রিস আলী,বাবুল মিয়া ও কালাম মিয়াসহ অন্যরা নিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। কিন্তু তাদেরকে গ্রেফতার করেনি বিজিবি। এব্যাপারে টেকেরঘাট বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার রাশেদ খান বলেন,সীমান্ত চোরাচালানীদেরকে অবৈধ মালামালসহ হাতেনাতে গ্রেফতারের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য,এর আগে চোরাচালানী সোনা মিয়ার লালঘাটের বাড়ি থেকে ১৭বোতল ভারতীয় মদ,পার্শ্ববর্তী বাঁশতলার দিয়ে সোর্স পরিচয়ধারী চোরাচালানী শফিকুল ইসলাম ভৈরব ও ফালান মিয়াগং কয়লা পাচাঁরের সময় ২৭বস্তা (দেড় টন) কয়লা ও লালঘাট দিয়ে পাচাঁরের সময় ৫৮বোতল ভারতীয় মদ,লাকমা পশ্চিমপাড়া গ্রামের সোর্স আব্দুল হাকিম ভান্ডারীর বাড়ি থেকে ১০৫বস্তা(৭মে.টন) কয়লা ও বালিয়াঘাট বিজিবি ক্যাম্পের সামনে অবস্থিত পাটলাই নদী থেকে জিয়া,রাজ্জাকের ৬০বস্তা (৪মে.টন),ড্রাম্পের বাজারের রাস্তা থেকে আরো ৪মে.টন(৬০বস্তা) কয়লাসহ লালঘাট গ্রামের সোর্স পরিচয়ধারী কালাম মিয়ার বাড়ি থেকে ১বস্তা ভর্তি ২০০বোতল মদ জব্দ করা হলেও এখনও পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কোন পদক্ষেপ নেয়নি বিজিবি ও পুলিশ। যার ফলে উপরের উল্লেখিত চোরাচালানী ও বিভিন্ন মামলার জেলখাটা আসামীরা নিজেদেরকে বিজিবি,র‌্যাব ও পুলিশ সোর্স পরিচয় দিয়ে প্রতিদিন কয়লার বস্তায় করে ও পাথরের ট্রলি দিয়ে মদ,গাঁজা,হেরুইন,ইয়াবা,মোটর সাইকেল,গরু ও অস্ত্র পাচাঁর করছে।

আরো খবর

Leave a Reply