বাংলাদেশ, শনিবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ।

লন্ডন দূতবাসে হামলার প্রতিবাদে ছাত্রলীগ

খালেদা জিয়ার দূনীর্তির মামলার রায়কে কেন্দ্র করে লন্ডনে দূর্তবাসে হামলা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ভাংচুর ও সারাদেশে বিএনপি-জামায়াতের সকল ধরনে নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, পাঁচলাইশ থানা ও খুলশী থানা উদ্দ্যোগে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক ও ওমরগণি এমইএস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও খুলশী থানা ছাত্রলীগ নেতা শাহাদাত হোসেন হিরার সঞ্চালনায় এক প্রতিবাদ সমাবেশ গতকাল শুক্রবার বিকালে নগরীর জিইসির মোড়ে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক ও ওমরগনি এমইএস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদ জিএস আরশেদুল আলম বাচ্চু।
প্রতিবাদ সমাবেশে প্রদান অতিথি ওমরগনি এমই এস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রসংসদ জিএস আরশেদুল আলম বাচ্চু বলেন, বিএনপির নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দূনীর্তির মামলার রায় ঘোষিত হওয়ার পর লন্ডনে দূর্তবাসে নেক্কারজনক হামলা করে দেশের ভার্বমূতি শুধু ক্ষুন্ন করেনি দেশকে ধ্বংস করতে চাই। দূর্নীতির কারনে খালেদার বিচারে মাধ্যমে দন্ডিত হয়ে গেছেন। আইন তাঁর নিজস্ব গতি চলছে। অন্যায় বা পাপ করলে সে অন্যায় ও পাপের শাস্তি তাকে পেতে হবে। খালেদা জিয়া শুধু পাপ করেনি এতিমের সম্পদ চুরি, লুটপাঠ করেছেন। একজন দূনীতিরগ্রস্ত বিএনপির নেত্রী খালেদার জন্য লন্ডন দূর্তবাসে হামলা ঘটনা কিছুতে মেনে নেয়া যায় না। তাঁরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর করে প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ করেছেন। যারাই এই হমলার সাথে জড়িত তাদের খুঁজে বের কর লন্ডন আইনে গ্রেফতার করার দাবী জানান। উক্ত সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ সাধারন সম্পাদক নুরুল আজিম রনি বলেন, খালেদা জিয়া দূনীর্তিবাজ নেত্রী। দূনীর্তির দায়ের বিচারে মাধ্যমে খালেদার দন্ডিত হয়েছেন। এখানে রাজনীতির কিছু নেই। কিন্তু বিচারে রায় ঘোষণা হওয়ার পর লন্ডনে দূর্তবাসে হামলা করে এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর করে দুঃসাহসীকতার পরিচয় দিয়েছে তাই এই হামলাকারীদের চিহ্নিত করে লন্ডনের আইনীয় প্রক্রিয়া গ্রেফতারপূর্ব্বক দেশে ফেরত পাঠানোর দাবী জানান।
এসময় বক্তব্য রাখেন সাবেক ছাত্র নেতা ওসমান গনি আলমগীর, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক উপ-শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক ও ওমরগণি এমইএস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াছ উদ্দিন, এইএস কলেজ ছাত্রলীগ নেতা আলাউদ্দিন আলো, আলি হাইদার, নগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত কচি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকরিয়া দস্তগীর, সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ আলম মানিক, উপ-প্রচার সম্পাদক এম এ হালিম সিকদার, মিঠু, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য আব্দুল্লাহ আল জোবায়ের হিমু, উপ-গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, এমইএস কলেজ ছাত্রলীগ নেতা শরফুল আনাম জুয়েল, তোফায়েল আহম্মেদ মামুন, ইরফানুল হক, সুলতান আহম্মেদ ফয়সাল, খুলশী থানা ছাত্রলীগ রুবেল সরকার, এমইএস কলেজ ছাত্রলীগ নেতা রাকিব হায়দার, আব্দুল্লাহ আল নোমান, আব্দুল্লাহ আল আহাদ, নয়ন উদ্দিন, ১৮নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মানিক, পাঁচলাইশ থানা ছাত্রলীগ নেতা সোহেল বড়ুয়া, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা শাহাদাত সালাম শাওন, সালাহ উদ্দিন কাদের আরজু, ৩৮নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা রাশেদ হোসেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, তোছাদ্দেক নুর চৌধুরী তপু, হাসান আলী হামান, আশেকুন নবী, আনসার উল্লাহ সৌরভ, কামরুজ্জামান, শফিকুল ইসলাম শাকিল, খোরশেদ আহমদ, নুরুন নবী শাহেদ, সোহেল রানা, রফিকুল ইসলাম পায়েল, মাহফুজ হোসেন, অর্পন চক্রবর্ত্তী, আরিফ হোসেন, আবু সাঈদ মুন্না, নুরুজ্জামান বাবু, মিজানুর রহমান মিজান, আশেকুর রহমান প্রিন্স, হাসান রুমেল, লোকমান হোসেন রিপন, এস.এম. মিজবাহ, আরিফুল ইসলাম, রাইসুল ইসলাম আকাশ, মোঃ হানিফ, নবাব মোহাম্মদ সাকলাইন, নোমান চৌধুরী রাকিন, তানিম ইসলাম, আবুল হাসনাত ইফাত, রায়হান উদ্দিন নিশান প্রমুখ।

আরো খবর

Leave a Reply