কুলাউড়ায় হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সভা

  প্রিন্ট
(Last Updated On: জানুয়ারি ১৮, ২০১৮)

২৬ জানুয়ারি হোটেল শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সম্মেলন সফল করার আহবান

আগামী ২৬ জানুয়ারি বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট সুইটমিট শ্রমিক ফেডারেশন রেজিঃ নং চট্টঃ ২০৩৭-এর ৫ম কেন্দ্রীয় সম্মেলনকে সামনে রেখে মৌলভীবাজার জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিঃ নং চট্টঃ-২৩০৫ এর উদ্যোগে এক বিশেষ সাধারণ সভা কুলাউড়ায় অনুষ্ঠিত হয়। ১৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় কুলাউড়া রেলওয়ে কোলনীস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রজত বিশ্বাস। সভায় বক্তব্য রাখেন মৌলভীবাজার জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মোঃ আবুল কালাম, হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের কুলাউড়া উপজেলা কমিটির সভাপতি মোঃ আলাউদ্দিন, সাবেক সভাপতি মোঃ ছায়েদ মুন্সী, সহ-সভাপতি মোঃ গিয়াস মিয়া ও মিজান মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কবির মিয়া, প্রচার সম্পাদক মোঃ সুমন মিয়া, পৌর কমিটির সভাপতি মোঃ হাসান মিয়া, মোঃ আবুল কালাম আজাদ, শরীফ মিয়া, মোঃ শাহিন মিয়া প্রমূখ।
সভায় বক্তারা বলেন নিত্যপ্রয়োজনীয় সকল জিনিষপত্রের উর্ধ্বগতির এসময়ে দেশের অন্যান্য শ্রমজীবী মানুষের মতো আমরা হোটেল শ্রমিকরাও নিদারুন দুঃখ-কষ্ঠের সাথে জীবন ও জীবিকা নির্বাহ করতে বাধ্য হচ্ছি। দ্রব্যমূল্যের কথা বলে কুলাউড়ার সকল হোটেলের খাবারের মূল্য বৃদ্ধি করা হলেও শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি করা হয়নি। বর্তমানে একজন শ্রমিকের সাধারণভাবে বেঁচে থাকতে হলে দৈনিক ন্যূনতম তিন বেলায় ১০০ টাকা শুধু খোরাকির প্রয়োজন। তাই একটি শ্রমিক পরিবারে বর্তমানে বাজারদরের সাথে সঙ্গতি রেখে বাঁচতে হলে দৈনিক ন্যূনতম ৫/৬শ টাকা দরকার। তাই বর্তমান বাজারদরের সাথে সঙ্গতি রেখে একজন শ্রমিকের ন্যুনতম মূল মজুরি ১০ হাজার টাকাসহ ৬০ ভাগ বাড়িভাড়া এবং ১,০০০ টাকা চিকিৎসা ও যাতায়াত ভাতা বাবদ সর্বমোট মাসিক মজুরি ১৮ হাজার টাকা ঘোষণা করা সময়ের দাবি। সভায় আগামী ২৬ জানুয়ারি বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট সুইটমিট শ্রমিক ফেডারেশন রেজিঃ নং বি-২০৩৭ এর ৫ম কেন্দ্রীয় সম্মেলন সফল করার লক্ষ্যে মোঃ আলাউদ্দিনকে আহবায়ক এবং মোঃ হারুনুর রশিদ ও মোঃ আবুল কালাম আজাদকে যুগ্ম আহাবায়ক করে ৯ সদস্য বিশিষ্ট কুলাউড়া উপজেলা প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যরা হলেন মোঃ ছায়েদ মুন্সী, হাসান মিয়া, শরীফ মিয়া, কবির মিয়া, সুমন মিয়া, আবুল কালাম।
সভা থেকে চাল, ডাল, তেল, পিয়াজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য কমানো, গ্যাস-বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার, বর্তমান বাজারদরের সাথে সংগতিপূর্ণভাবে নি¤œতম মূল মজুরি ১০ হাজার টাকা ঘোষণা, ৮ ঘন্টা কর্মদিবস, নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র প্রদানসহ শ্রমআইন বাস্তবায়ন, ঢাকার ঘরোয়া হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে কিশোর শ্রমিক রিয়াদের খুনি হোটেল মালিক আরিফুল ইসলাম সোেেহলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি, শ্রমিকদের জন্য রেশনিং চালু করার দাবি জানানো হয়।

০ Comments

Leave a Comment

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password