বাংলাদেশ, শুক্রবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ।

সৈয়দপুর বিমানবন্দর : ৪ মাসেও সীমানা প্রাচীর মেরামত হয়নি অরক্ষিত হয়ে পড়েছে

বখতিয়ার ঈবনে জীবন

সৈয়দপুর বিমানবন্দরের প্রাচীর বন্যায় ধসে পড়ার চার মাস পেরিয়ে গেলেও এখনও মেরামত করা হয়নি । এতে অরক্ষিত হয়ে পড়েছে বিমানবন্দরটি। যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা। ঢাকা-সৈয়দপুর-ঢাকা রুটে প্রতিদিন বাংলাদেশ বিমান, ইউএস বাংলা ও নভোএয়ারের ৯টি ফ্লাইটে প্রায় এক হাজার যাত্রী যাতায়াত করছে। উত্তরাঞ্চলের ৮ জেলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগে অতিরিক্ত সময় লাগায় আকাশ পথে যাত্রী বাড়ছে। উত্তরা ইপিজেড, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি, মধ্যপাড়ার কঠিন শিলা, পঞ্চগড়ের চা-বাগানে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ায় অনেকেই বেছে নেন আকাশপথকে। যে কারণে দিনদিন গুরুত্ব বাড়ছে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের। গত বছরের ১২ আগস্ট রাতে শহর রক্ষা বাঁধ ভেঙে খড়খড়িয়া নদীর পানি ঢুকে পড়ে এই বিমানবন্দরেও। এতে পশ্চিমদিকের সীমানা প্রাচীরের প্রায় ২০০ ফিট এবং পূর্ব দিকের প্রায় ৫০ ফিট ধসে পড়ায় অরক্ষিত হয়ে পড়ে। এছাড়াও অনেক স্থানে ফাটল রয়েছে। এরপর সেটি আর সংস্কার করা হয়নি। সরেজমিনে দেখা গেছে, ধসে পড়া অংশ দিয়ে প্রতিদিন আশেপাশের গ্রামের রাখালেরা ঢুকে রানওয়ের পাশে ঘাস কাটছে। কখনো কখনো ঢুকে পড়ে গরু-ছাগলও। এছাড়াও নেশাগ্রস্থদের অবাধ বিচরন ভ’মিতে পরিনত হয়েছে। আনসার সদস্যদের দেখভালের কথা থাকলেও তাদের দেখা মেলেনি। এমন অরক্ষিত অবস্থায় আশঙ্কা বাড়ছে দুর্ঘটনার। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পশ্চিম দিকের ধ্বসে যাওয়া অংশের কাজ ক’মাস আগে শুরু করলেও তা ২৫ ভাগ কাজও শেষ করতে পারেনি। শীতের এ সময় সীমানা প্রাচীর মেরামতে কাজ যদি এমন ধীর গতিতে হয়, তাহলে কখন কাজের গতি পাবে?
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জরুরি ভিত্তিতে প্রাচীর মেরামতের কাজ শুরু করার কথা বললেও চার মাসেও তা সম্পন্ন হয়নি। তবে এ বিষয়ে কোন কথা বলতে রাজি হননি সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ম্যানেজার শাহীন হোসেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শওকত চৌধুরী বিমানবন্দরটি অরক্ষিত রয়েছে এমন উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ধ্বসে যাওয়া অংশে অতিরিক্ত নিরাপত্তা কর্মী সার্বক্ষনিক দায়িত্বে থাকার কথা কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

আরো খবর

Leave a Reply